ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ একটি ভাল জায়গা



বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ একটি ভাল জায়গা

ভারতীয় হাই-কমিশনার বিক্রম কে দোরাইস্বামী বলেছেন, বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ খুব ভাল জায়গা, আর এজন্যই ভারতীয় যেসব কোম্পানী ইতোমধ্যেই এ দেশে বিনিয়োগ করেছে- তারা আবারও এখানে বিনিয়োগ করছে।


তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশে ভারতীয় কোম্পানীগুলোর ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট (এফডিআই)’র পরিমাণ ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। বাংলাদেশে ভারতীয় কোম্পানীগুলোর বিনিয়োগ বাড়ছে। আপনি যদি দেখেন, যেসব ভারতীয় কোম্পানী ইতোমধ্যেই বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে, তারা আবারও বিনিয়োগ করছে।’
ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশনে ‘ব্যবসা ও অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের জন্য’ এক সেমিনারে ভারতীয় হাই কমিশনার এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারের উপায় খুঁজতে আলোচনার জন্য ঢাকায় ভারতীয় হাই কমিশন এই সেমিনারের আয়োজন করে। 


বিক্রম কে দোরাইস্বামী বলেন, ঢাকা যদি ব্যবসার প্রক্রিয়া আরো সহজ করে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন সম্পন্ন করে- তবে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরো বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে এখনো ভারতের পাল্লা ভারী হলেও, বাংলাদেশের রপ্তানী বাড়ায় দিন দিন এই অবস্থার উত্তরণ ঘটছে।


সেমিনারে ভারতীয় হাই কমিশনের কমার্শিয়াল অফিসার ড. প্রমেশ বাসাল ‘ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড কানেক্টিভিটি, অ্যাক্সেলারেটিং গ্রোথ অ্যান্ড শেয়ার্ড প্রোসপারিটি’ এর উপর একটি প্রেজেন্টেশন করেন। প্রমেশ বাসাল তার বক্তব্যে জানান যে- বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথোরিটি (বিডা)’র তথ্যানুযায়ী, নিবন্ধিত ভারতীয় এফডিআই বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩.৫৫ বিলিয়ন। তিনি আরো বলেন, ২০১৭ সালে ভারতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরকালে ভারতীয় ও বাংলাদেশী কোম্পানীগুলোর মধ্যে প্রায় ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের ভারতীয় বিনিয়োগ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ভারতের ৩৫৫টি কোম্পানী বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে এবং মংলা ও মীরসরাইয়ে ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগের ফলে ভারতীয় এফডিআই এর পরিমাণ আরো বাড়বে। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে ভারতে বাংলাদেশের রপ্তানীর পরিমাণ ১৮২ শতাংশ এবং বাংলাদেশে ভারতের রপ্তানীর পরিমাণ ১২৬ শতাংশ বাড়তে পারে। 


ভারতীয় হাই কমিশনের রেলওয়ে এডভাইজার সভায় ‘ভারত-বাংলাদেশ রেলপথ সহযোগিতা’র উপর একটি প্রেজেন্টেশন করেন।
অনিতা বারিক ভারত থেকে পণ্য পরিবহণ খরচ কমাতে রেলপথে পণ্য পরিবহণেরর পরামর্শ দেন। রেল যোগাযোগ উন্নত হলে বাংলাদেশের সাথে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পাবে বলে জানান তিনি। এ সময় ডেপুটি হাই-কমিশনার বিনয় জর্জ ও ভারতের এক্সিম ব্যাংকের স্থায়ী প্রতিনিধি প্রিয়াংশু তিওয়ারিও বক্তব্য রাখেন।

 

সূত্র: বাসস


   আরও সংবাদ