ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্ৰ জন্মাষ্টমী আজ



সনাতন  হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের পবিত্ৰ জন্মাষ্টমী আজ


 শ্রীকৃষ্ণ দেবকী এবং বাসুদেবের অষ্টম সন্তান ছিলেেন। পুরানো পুঁথির বর্ণনা ও  জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুসারে কৃষ্ণের জন্মর তারিখ হল খ্রীষ্টপূর্ব ৩২২৮ সালের ১৮ জুলাই এবং তাঁর মৃত্যুর দিন খ্রীষ্টপূর্ব ৩১০২ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি। শ্রীকৃষ্ণ মথুরার যাদববংশের বৃষ্ণি গোত্রের মানুষ ছিলেন। হিন্দু ধর্মাম্বলীরা পবিত্ৰ জন্মাষ্টমী শ্রীকৃষ্ণএর জন্মদিন হিসেবে পালন করে।  শ্রীকৃষ্ণকে কয়েকটি নামে ভূষিত করা যায় যেমন  কৃষ্ণাষ্টমী, গোকুলাষ্টমী, অষ্টমী রোহিণী, শ্রীকৃষ্ণজয়ন্তী ইত্যাদি।

 হিন্দু পঞ্জিকা মতানুসারে, সৌর ভাদ্র মাসের কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে যখন রোহিণী নক্ষত্রের প্রাধান্য হয়, তখন জন্মাষ্টমী পালিত হয়। উৎসবটি গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে, প্রতি বছর মধ্য-আগস্ট থেকে মধ্য-সেপ্টেম্বরের মধ্যে কোনো এক সময়ে ধার্য করা হয়ে থাকে। শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সময় চারিদিকে ছিল অরাজকতা, নিপীড়ন, অত্যাচার চরম পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিলো। সেই সময় মানুষের স্বাধীনতা বলে কিছু ছিল না। সর্বত্রই  অশুভ শক্তির বিস্তার ছিল।

 শ্রীকৃষ্ণের মামা কংস যিনি  কংস মামা বলে পরিচিত তাঁর জীবনের প্রধান শত্রু ছিলেন। মথুরাতে শ্রীকৃষ্ণের জন্মের সাথে সাথে সেই রাতে তাঁর বাবা বাসুদেব তাঁকে যমুনা নদী পার করে গোকুলে পালক মাতা পিতা যশোদা ও নন্দর কাছে রেখে আসেন।

কৃষ্ণের জীবনের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বিভিন্ন উৎসব যেমন  গান বা কীর্তন, গীতিনাট্য, নাট্য, যাত্রা ইত্যাদি এর মাধ্যমে পালন  করা হয়। বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের মধ্যে ৫টি বিভাগে যেমন সিলেট, খুলনা, রংপুর, চট্টগ্রাম, এবং ঢাকা সব চেয়ে বেশি হিন্দু ধর্মালম্বীদের বসবাস এবং এই সকল বিভাগে পবিত্ৰ অনুষ্ঠান অত্যন্ত আড়ম্বরের সাথে উৎযাপন করা হয়।।


   আরও সংবাদ