ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

করোনা পরবর্তী সময়ে  এসএমই খাতে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন  ড. আতিউর।



করোনা পরবর্তী সময়ে  এসএমই খাতে অন্তত ২০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন  ড. আতিউর।

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ মঙ্গলবার বাসসের সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে প্রকাশ,  বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান  করোনা পরবর্তী ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এসএমই খাতে আরো ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার  প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেছেন 

তিনি আজ মঙ্গলবার বিকেলে এসএমই ফাউন্ডেশন এবং এফইএস বাংলাদেশ’র উদ্যোগে প্রকাশিত ‘করোনা সংকট-উত্তর ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ভবিষ্যত  চ্যালেঞ্জেস ও সুযোগ শীর্ষক সেমিনারে এক প্রতিবেদনের উপর আলোচনাকালে এ মন্তব্য করেন। এই অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা। এসএমই ফাউন্ডেশনের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ড. মোঃ মাসুদুর রহমান সভাপতিত্ব  করেন। এই অনুষ্ঠানের মূল আলোচক ছিলেন স্বনামধন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু চেয়ার অধ্যাপক ড.আতিউর রহমান।

এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ মফিজুর রহমানের সঞ্চালনায় মূল প্রবন্ধের ওপর আরো আলোচনা করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম আবু ইউসুফ, অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী এবং বাংলাদেশে ইউএনডিপি’র কান্ট্রি অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ।

তিনি  বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাতের অবদান ২৫ ভাগ। এই খাতের অবকাঠামো ও ক্লাস্টার উন্নয়নে  বর্তমান সরকারের একটি কার্যকর উদ্যোগ। পাশাপাশি সরকার এসএমই পণ্যের বাজার সংযোগের দিকেও নজর দিয়েছে। 

মহামারী করোনার  কারণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি প্রতিষ্ঠানগুলোর রাজস্ব শতকরা ৬৬ ভাগ কমেছে এবং পণ্য অবিক্রিত রয়েছে শতকরা ৭৬ ভাগ। এ খাতের ৪২ শতাংশ কর্মী আংশিক বেতন পেয়েছে, ৪ শতাংশ কর্মী  বেতন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি এসএমই খাতের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এই খাতের জন্য সরকারকে অন্তত ২০হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়ার পরামর্শ দেন।  এ অনুষ্ঠানে  এসএমই নীতিমালা-২০১৯’র পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন ও  ক্লাস্টারভিত্তিক এসএমই উন্নয়নসহ মোট ৭ দফা সুপারিশ উত্থাপন করা হয়।

শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকাশক্তি এসএমই বা ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা খাত। কোভিড-১৯ এর কারণে এ খাত মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সুলতানা বলেন, এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার ইতোমধ্যে এসএমই খাতকে প্রণোদনা প্যাকেজ ও নীতি সহায়তা দিয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য সরকারের প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গত অর্থবছর ১০০ কোটি টাকার মতো বিতরণ করা হয়েছে এবং চলতি অর্থবছরে বিতরণের জন্য আরো ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, যা বিতরণে এসএমই ফাউন্ডেশন সক্ষম হবে বলেও শিল্প সচিব আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


   আরও সংবাদ