ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

প্রাইভেট টিউটরদের অনলাইনে ক্লাস নেয়া নিষিদ্ধ



 প্রাইভেট  টিউটরদের অনলাইনে   ক্লাস  নেয়া  নিষিদ্ধ

অসীম বেনেডিক্ট পামার: শিক্ষা জগতে প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষাব্যবস্থা ছেলেমেয়েদের উচ্চ শিক্ষার স্বার্থে পিতামাতার কাছে প্রাইভেট টিউটরিং সেবাকে জনপ্রিয় করে তুলেছে। কিন্তু চীন বরাবরই একটু ব্যাতিক্রম। চীনা সরকার দেশের পিছিয়ে পড়া জন্মহারকে স্বাভাবিকরণে সজাগ দৃষ্টি রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।  চীন এক সন্তান নীতি থেকে সরে দুয়ের অধিক সন্তান ধরণের নীতিমালা ইতিমধ্যেই প্রণয়ন করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় চীন সরকার পিতামাতার সন্তান লালন-পালনের খরচ কমানোর প্রচেষ্টায় সদ্য এই নীতিমালা গ্রহণ করেছে।

 

সাংহাই থেকে ৮ই সেপ্টেম্বর বুধবার রয়টার্স এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে, চীন প্রাইভেট টিউটরদের অনলাইন কিংবা অনিবন্ধিত স্থানে যেমন আবাসিক ভবন, হোটেল বা  কফি শপগুলিতে ক্লাস দেওয়া নিষিদ্ধ করেছে। সমস্ত লাভজনক টিউটরিং উপর নিষেধাজ্ঞা বাড়িয়ে দিয়েছে।  শিশু এবং অভিভাবকদের উপর চাপ কমানোর চেষ্টাই কর্তৃপক্ষ এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

 

বাবা-মা ও গৃহশিক্ষকরা তাদের পারিবারিক ধারা থেকে সরে গিয়ে কর্মময় জীবনকে গতিশিল রাখতে নিয়মগুলি ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করছেন।   কিছু সংস্থা  লাইভ-ইন টিউটরদের বিজ্ঞাপনে দেখছিলো তাদের পাহাড় সমান চাহিদার কথা যা গিয়ে ৪৬৫০ ডলার পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় নতুন নিষেধাজ্ঞা জারি করে  বলেছে  নীতি বাস্তবায়নে জনগণের মধ্যে প্রভাব ফেলেছে।

 

মন্ত্রণালয় বলেছে, ক্যাম্পাসের বাইরে যেসব কেন্দ্রে স্কুল পাঠ্যক্রমের বিষয়ে শিক্ষাদান করা হয় তাদের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হওয়া, নিবন্ধিত স্থানগুলির বাইরে কাজ করা এবং যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করা একান্ত প্রয়োজন।

 

মন্ত্রণালয় বলেছে অভিভাবকগণ এবং প্রাইভেট শিক্ষকদ্বয় গৃহকর্মী পরিষেবা, সাংস্কৃতিক যোগাযোগ, গ্রীষ্মকালীন ক্যাম্প বা লিভ-ইন টিউটর এর ছদ্মবেশে  নিয়মগুলি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে থাকেন। কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে তাত্ক্ষণিক বার্তা বলেছে যে, ভিডিও কনফারেন্স বা লাইভ স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে স্কুল-পরবর্তী শিক্ষাদান করার অনুমতি দেওয়া হবে না।


   আরও সংবাদ