ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

কোভিড-১৯ ডেনমার্কে কোনো বাধা নেই,I



কোভিড-১৯ ডেনমার্কে কোনো বাধা নেই,I

অসীম বেনেডিক্ট পামার: ১১ই সেপ্টেম্বর শনিবার, কোপেনহেগেন থেকে এ এফ পি  এক বিবৃতিতে  জানিয়েছে যে, ভ্যাকসিনের হার বেড়ে যাওয়ায় ডেনমার্কে নতুন সংক্রমণ হ্রাস পেয়েছে জনসংখ্যার ৭০ শতাংশেরও বেশি পৌঁছে গিয়েছে কোভিড-১৯ থেকে নিরাপদ জোনে। এই দেশটি একমাত্ৰ ইউরোপীয় দেশ যেখানে কোন কোভিড সীমাবদ্ধতা নেই, নাইটক্লাবে প্রবেশের জন্য ভ্যাকসিনের পাসপোর্ট দেখানোর প্রয়োজনীয়তা একেবারে শিথিল করা হয়েছে। কেননা জনগণ এখন সতর্কতার সাথে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে।

 স্ক্যান্ডিনেভিয়ার দেশটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারির বিবেচনায় ভেবেছিলো মহামারী পরবর্তী একটি নতুন বাস্তবতার সম্মুখীন হতে হবে নতুবা ভ্যাকসিনগুলি হয়তো মহামারীর অবসান ঘটাতে বার্থ হবে এবং ভাইরাস বছরের পর বছর ধরে চলতে থাকবে কিন্তু দেশটি তা মিথ্যা প্রমাণ করে দেখিয়ে দিয়েছে বাস্তবতা অনেক কঠিন কিন্তু অসম্ভব নয়।

স্কান্ডেনেভিয়ান দেশটি  সরকারের নির্দেশক্রমে  বিশ্বব্যাপী সংঘটিত মহামারীকে সামনে রেখে  কঠোর স্বাস্থবিধি মেনে নিষেধাজ্ঞাগুলি তুলে নিয়ে দেশের সমস্ত জনগণকে মৃত্যুকে জয় করতে শিখিয়েছে তারই বহিঃপ্রকাশ আজ এই মুক্তি ছিল। এটা যেন  অনেকটা অপশক্তির বিরুদ্ধে নিজের স্বাধীনতা অর্জন করা।

আইস ল্যান্ডের পর ডেনমার্ক দ্বিতীয় দেশ করোনা মহামারীর সীমাবদ্ধতার বাহিরে অবস্থান করছে। কোপেনহেগেনে  শনিবার একটি উন্মুক্ত কনসার্টে ৫০০০০ মানুষকে স্বাগত জানিয়ে প্রমান করলো এই ইউরোপীয় দেশটি আমরা করবো জয়। ডেনিশ কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে ভাইরাসটি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং  প্রতিদিন  ৫০০ কোভিড কেস এবং ০.৭ সংক্রমণের হার রয়েছে। ৫.৮ মিলিয়ন জনসংখ্যার ৭৩ শতাংশ সম্পূর্ণরূপে টিকা দেওয়া হয়েছে এবং ৬৫ এবং তার বেশি বয়সীদের মধ্যে ৯৬ শতাংশের সাথে ভ্যাকসিনগুলি দ্রুত চালু করা হয়েছে।

কোপেনহেগেনে এক জ্যৈষ্ঠ বিশেষজ্ঞ বলেন, আমাদের আশা করা উচিত কিভাবে ধীরে ধীরে আমাদের টিকা দেওয়ার কৌশলকে এন্ডেমিক ট্রান্সমিশনের সাথে খাপ খাওয়াতে হবে এবং অতিরিক্ত সংক্রামিত প্রভাব সম্পর্কে  মূল্যবান জ্ঞান সংগ্রহ করতে হবে তবেই সংক্রমণ হবে নিয়ন্ত্রিত।

সরকার প্রধান এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করে বলেছেন দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসা মানে এই নয় যে  রাস্তায় কোনও বিপদ হবে না। তিনি আরও বলেন ভাইরাসটি বেশ কয়েকবার পরিবর্তিত হয়েছে তাই কোন গ্যারান্টি দেওয়া যাবে না । করোনাভাইরাসের   কিছু স্মৃতি  মানুষের মন থেকে খুব তাড়াতাড়ি মুছে যাবার নয় কিন্তু সময়টা অবশ্যই একটি খেলার মতো।

 


   আরও সংবাদ