ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

এক নৈসর্গিক অপরূপ স্থান সাজেক ভ্যালি।



এক নৈসর্গিক অপরূপ স্থান সাজেক ভ্যালি।

পাহাড় বেষ্টিত পূর্বে মিজোরাম এবং উত্তরে ত্রিপুরা দ্বারা পরিবেষ্টিত সাজেক উপত্যকা একসময় বিদ্রোহের সাক্ষী হয়ে আছে।  সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য প্রদর্শন করে। এই সাজেক ভ্যালি  পর্যটন বিকাশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অর্থনৈতিক সুবিধা এবং সামাজিক উন্নতির ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রেখে আসছে।

সাজেক নদীটি বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা নির্ধারণ করে এবং  এই ভ্যালি  রাঙামাটি পার্বত্য জেলার দেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত। রাঙ্গামাটি উত্তরে, এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার উত্তর-পূর্বে সাজেক ভ্যালি অবস্থিত।

রুইলুই পাড়া, হামারি পাড়া এবং কংলাক পাড়া নিয়ে সাজেক ভ্যালির অবস্থান এবং পর্যটকদের প্রধান  আকর্ষণ এই কঙ্কাল পাড়া। বাংলাদেশের  শেষ গ্রামটি কংলাক পাহাড়ে অবস্থিত এবং প্রধানত লুসাই জনগোষ্ঠী এই কঙ্কাল পাড়ায়  বসবাস করে। লুসাই ছাড়াও ত্রিপুরা, পাংখোয়া এবং চাকমা জনগোষ্ঠীরাও সেখানে বসবাস  করে।

সাজেক একটি পর্যটন স্পটে পরিণত হয়েছেI  সারা দেশ থেকে উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসা সফল করার স্বপ্ন নিয়ে এখানে এসেছে। সাজেক এখন দেশের অন্যতম পর্যটন স্পটI এলাকাটি এখন একটি উন্নয়নশীল অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। জলবায়ু সংরক্ষণ ও বিতরণ ব্যবস্থার মতো অপরিহার্য অবকাঠামোগত সুযোগ সুবিধাকে দ্রুততম সময়ে সাজেকের মধ্যে গড়ে  উঠেছে, এর ফলস্বরূপ বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অধিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে সমগ্র সাজেক ভ্যালির জনগোষ্ঠী আজ সাবলম্বী।
 
রাস্তার উঁচু চূড়া এবং পতনের মধ্য দিয়ে ড্রাইভিং করে খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক ভ্যালিতে প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছানো যায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রতিদিন সকাল ও সন্ধ্যায় বাঘাথর থেকে সাজেক পর্যন্ত রুটটিতে নিরাপত্তা এসকর্ট সেবা প্রদান করে।


   আরও সংবাদ