ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৩ মাঘ ১৪২৮, ২০ সফর ১৪৪৩

১৬ শ শতকের নিদর্শন  পুঠিয়া  রাজবাড়ী ভ্রমণের জন্য এক ঐতিহাসিক স্থান



১৬ শ শতকের নিদর্শন  পুঠিয়া  রাজবাড়ী ভ্রমণের জন্য এক ঐতিহাসিক স্থান

 
আসিম বেনেডিক্ট পালমারঃ প্রাথমিকভাবে বলা যায়, পুঠিয়া হলো লস্করপুর পরগনার একটি গ্রাম। পুষ্টির প্রথম জমিদারের ভাই লস্কর খান নিলাম্বরের নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছিল যিনি ১৬০৫-১৬৬২ খৃস্টাব্দে প্রথম জাহাঙ্গীরের কাছ থেকে রাজা উপাধি পেয়েছিলেন। 

পুঠিয়া রাজবাড়ি একটি ইন্দো- ইউরোপীয় স্টাইলের দোতলা প্রাসাদ।  ১৮৯৫ সালে রানী হেমন্ত কুমারী তার শাশুড়ি মহারানী শরৎ সুন্দরী দেবীর স্মরণে প্রাসাদটি নির্মাণ করেছিলেন। এটি রাজশাহী শহর থেকে ৩০ কিমি দূরে অবস্থিত। বিখ্যাত দোতলা পুঠিয়া রাজবাড়ী ছাড়াও আরো ১৪ টি স্বীকৃত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যেমন বারো শিব মন্দির, ছোট্ট অনিক মন্দির রয়েছে। পুঠিয়ার বোরো গোবিন্দো মন্দির, ছোট গোবিন্দো মন্দির, জগদ্ধাত্রী মন্দির, কেশতা খেপার মঠ আপনার ভ্রমণকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তুলবে। 

আপনি কিভাবে যাবেন?  
পুঠিয়া পরিদর্শন খুবই সহজ কারণ ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে পড়েছে। যে কোন স্থান থেকে রাজশাহী অভিমুখী বাস, ট্রেন, কিংবা আকাশ পথে যাবার পর  গন্তব্যে স্থানীয় পরিবহন দ্বারা যেতে পারেন। পুঠিয়া রাজশাহী জেলা সদরের  উত্তর-পূর্বে নাটোর মহাসড়কে অবস্থিত।


   আরও সংবাদ